• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন |

সালিশি বৈঠকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যা

সিসি নিউজ ডেস্ক।। রাজধানীর রমনার মৌচাক এলাকায় একটি সালিশি বৈঠক চলাকালে ছুরিকাঘাতে বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৫৭) নামে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের এক সাবেক নেতা খুন হয়েছেন। তিনি রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন।

সোমবার (৮ জুন) রাত আটটার দিকে মৌচাক আনারকলি মার্কেটের সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রাত সোয়া নয়টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত বিল্লাল হোসেন মালিবাগ বাগানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। মালিবাগে তার বালু ও সিমেন্টের ব্যবসা রয়েছে। তার বাবার নাম মৃত ইউনুছ তালুকদার।

দলীয় সূত্র জানায়, তিনি রমনা থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলেরও আহ্বায়ক ছিলেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে মালিবাগের সোহাগ পরিবহনের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

হাসপাতালে বিল্লালকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা তার ভাগনে মো. মোবারক হোসেন আকাশ ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, ‘সন্ধ্যায় আনারকলি মার্কেটের সামনে কয়েকজন মিলে প্রথমে আমাকে মারধর করে।

এই খবর পেয়ে আমার মামা বিল্লাল হোসেন সেখানে আসেন। রাত আটটার দিকে ওই মারামারির ঘটনাটি মীমাংসার জন্য মার্কেটের সামনেই একটি সালিশি বৈঠক বসছিল।’

মোবারক হোসেন আরও বলেন, ‘সালিশ চলাকালে যুবদলের রমনা থানার আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবু এবং তার সঙ্গে থাকা রমনা থানার সেক্রেটারি লুৎফরের সঙ্গে মামার (বিল্লাল) তীব্র তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে বাবুর নেতৃত্বে তার অনুসারীরা বিল্লালের বুকে ছুরিকাঘাত করে। এতে তিনি সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

ডিএমপি রমনা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাজাহার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘রাত আটটার দিকে সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হত্যাকাণ্ডের পর পরই অভিযুক্তরা পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, নিহত ব্যক্তির বুকে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ